টরণ্টোতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১২তম কারাবন্দী দিবস উদযাপন

47

৭ মার্চ ২০১৮ বুধবার সন্ধ্যা ৮.০০টায় টরণ্টোস্থ রেড হট তন্দুরীর হলরুমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১২ তম কারাবন্দী দিবস উদযাপন উপলক্ষে “তারেক রহমান ও বাংলাদেশ” শীর্ষক ডকুমেন্টারী প্রদর্শন ও আলোচনা সভা সাপ্তাহিক ভোরের আলো সম্পাদক আহাদ খন্দকারের সভাপতিত্বে ও মুজিবর রহমানের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।প্রধান অতিথির বক্তব্যে এস আর চৌধুরী রেশাদ বলেন, বিএনপি’র সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ১২ তম কারাবন্দী দিবস হবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের বড় অনুপ্রেরণা।
২০০৭ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন অবৈধ মঈনউদ্দিন-ফরুউদ্দিন সরকার মধ্য রাতে ক্যান্টনমেন্টের ৬ শহীদ মইনুল রোডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বাসভবন থেকে তাকে তুলে নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিয়ে যায়।
গ্রেফতারের পর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রাণোদিত হয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ১২টি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয় এবং কয়েক দফা রিমান্ডে নিয়ে শারীরিকভাবে ব্যাপক নির্যাতন করা হয়।
তারেক রহমানের ঈর্ষণীয় জনপ্রিয়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতাই তাঁর প্রতি তথ্যসন্ত্রাস ও হিংসাত্মক আক্রমণের মূল কারণ। ১/১১ কিংবা ১/১১ পরবর্তী আওয়ামী সরকার তারেক রহমানের রাজনীতির ইতিবৃত্তকে ধ্বংস করার লক্ষে সুপরিকল্পিতভাবে এবং ঠান্ডা মাথায় স্বল্প মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে প্রথমে অবৈধ মঈনউদ্দিন-ফরুউদ্দিন সরকার কর্তৃক অমানুষিক শারীরিক নির্যাতন এবং পরবর্তীতে সরকার নিয়ন্ত্রিত আদালত থেকে মিথ্যা মামলায় জেল-জুলুম-হুলিয়া দিয়ে স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বাধা দেওয়ার মধ্যে দিয়েই ঝলসে উঠা এক রাজনীতিবিদের অপমৃত্যু ঘটানোর হীন অপচেষ্টা ক্ষমতাসীনদের রুটিনকাজে পরিণত হয়েছে।
আলোচনায় অন্যান্যদের মধ্যে অংশগ্রহণ করেন অণ্টারিও বিএনপির সাবেক সভাপতি জাকির হোসেন খান, বিশিষ্ট সমাজসেবক নূরুল ইসলাম, সাপ্তাহিক আজকাল পত্রিকার সম্পাদক মাহবুব চৌধুরী রনি, বিশিষ্ট গবেষক ও লেখক প্রফেসর ড: সিরাজুল হক চৌধুরী, প্রত্যয়ের সভাপতি রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী, সাবেক ছাত্রনেতা আবুল কালাম আজাদ, কানাডা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রেহেনা আখতার, জিয়া পরিষদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক মমিনুল হক মিলন, একাউন্ট্যান্ট মকবুল হোসেন, রিয়েলটর রাসেল সিদ্দিকী, রিয়েলটর শেখ হাসিব হোসেন, রিয়েলটর মফিজুর রহমান, ইফতেখার সাইদ, মাশরুল হোসেন রিপন, মিজানুর রহমান চৌধুরী, আমিনুর চৌধুরী, মামুনুর রশীদ, প্রমুখ।
সভাপতির বক্তৃতায় আহাদ খন্দকার বলেন, কোনো ধরণের ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে তারেক রহমানের সাথে বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের সম্পৃক্ততাকে ছিন্ন করা যাবে না। দেশের সর্বস্তরের মানুষ তারেক রহমানের আগমনের প্রতীক্ষায়। শারীরিকভাবে তার উপস্থিতি না থাকলেও তার অস্তিত্ব অনুভব করে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক জনতা।

শেয়ার করুন