রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন : মিয়ানমার বাংলাদেশ সম্মতিপত্রে কানাডার সতর্ক সমর্থন

38

বাংলা কাগজ ডেস্ক: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের ‘সম্মতিপত্র’ স্বাক্ষরের ব্যাপারে সতর্ক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেছে কানাডা। নতুনদেশ ডটকম
কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ম্যারি ক্লদ বিবেয়্যু বলেছেন, এই সম্মতি নীতিগতভাবে একটি ভালো অগ্রগতি। আমরা সম্মতির শর্তগুলি দেখিনি। তবে আশা করবো এতে কফি আনানের রিপোর্টের সুপারিশের প্রতিফলন ঘটেছে।
কানাডার এই মন্ত্রী বর্তমানে বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার মিয়ানমারের নেপিদোতে বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী এবং মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী অং সান সু চির পক্ষে তার দপ্তরের মন্ত্রী কিয়া তিন্ত সোয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে একটি সম্মতিপত্রে (অ্যারেঞ্জমেন্ট) স্বাক্ষর করেন।
মিয়ানমার এই সম্মতিপত্র স্বাক্ষরের ঘোষণা দিলেও এতে কি আছে সেই সম্পর্কে কোনো তথ্য উল্লেখ করেনি। বাংলাদেশ বলেছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত যাওয়ার কাজ শুরু হবে।
ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তিন সপ্তাহের মধ্যে একটি ‘জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রæপ’ গঠন করে দুই মাসের মধ্যে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করা এবং এজন্য যত দ্রুত সম্ভব একটি সুনির্দিষ্ট চুক্তি স্বাক্ষরের লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে সম্মতিপত্রে।
মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলরের দপ্তরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রাখাইনের বাস্তুচ্যুত নাগরিকদের ফিরিয়ে নিতে ওই সম্মতিপত্র তৈরি করা হয়েছে ১৯৯২ সালে দুই দেশের যৌথ ঘোষণার ভিত্তিতে, যেখানে সনাক্তকরণ ও প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার সাধারণ নীতিমালা ঠিক করা হয়েছিল।
কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী ম্যারি ক্লদ বিবেয়্যু এই প্রসঙ্গে বলেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার সম্মতিপত্র সঠিক পথের প্রথম পদক্ষেপ। তবে এই সম্মতিপত্র বাস্তবায়িত হওয়ার আগে কতগুলি শর্ত পূরণ হতে হবে।

শেয়ার করুন