শতাধিক জনকে সহায়তা করেছে কানাডিয়ান সেন্টার

17

টরন্টো: আমান্দা থাকে টরন্টোর ক্রিসেন্ট টাউনে। পড়েন ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোতে। এখন ক্লাস নেই। একটা চাকুরী দরকার। ভালভাবে রেজ্যুমে আর কাভার লেটারটা তৈরি হওয়ার পর লবলজে পার্ট টাইম চাকুরী পেতে দেরি হয়নি আমান্দার। অন্যদিকে তাহমিনার সমস্যাটা চাকুরীর নয়, পারিবারিক। ছোট একটা ভুলের কারণে সমস্যাটা হয়ে দাঁড়ায় অনেক বড়। চিলড্রেন এইড সোসাইটির লোকজন আসে বাসায়। দুঃশ্চিন্তায় নাওয়া খাওয়া বন্ধ হয়ে যায় তাহমিনার। এখন সমস্যা অনেক কেটে গেছে। কারণ প্রতিকারের পথটা জানা হয়ে গেছে। বাড়িওয়ালার সাথে ছোট খাটো একটা ঝামেলায় জড়িয়ে গিয়েছিল কানাডায় নতুন ইমিগ্র্যান্ট হয়ে আসা সিদ্দিকের। বুঝতে পারছিলেন না কোথায় যেতে হবে। সমাধানটা কোথায়। এখন জানা হয়ে গেছে। আর দুঃশ্চিন্তাও নেই। আমান্দা, তাহমিনা আর সিদ্দিকের মতো প্রায় শতাধিক জনকে তথ্য উপাত্ত আর পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেছে কানাডিয়ান সেন্টার। এবছরের জানুয়ারিতেই কানাডার ফেডারেল গর্ভমেন্টের অধীনে বেসরকারী সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত হয় সংগঠনটি। প্রতিষ্ঠার পর প্রথম চার মাসেই কানাডিয়ান সেন্টার ফর ইনফরমেশন এন্ড নলেজ প্রায় শতাধিক লোককে সহায়তা করেছে। সেবা পাওয়াদের একজন তামান্না আকতার বলেন, “আমি নব গঠিত এ সংগঠনটিকে মনে প্রাণে ভালোবাসি। কারণ এর সাথে সংশ্লিষ্টদের সহায়তা করার মানসিকতা আমাকে ভীষণভাবে প্রলুব্ধ করেছে।”
কানাডিয়ান সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম উদ্দিন বলেন, “এ সংগঠনটি শুধু বাঙালিদের জন্য নয়। টরন্টোতে বসবাসরত আগ্রহী সব কমিউনিটির সদস্যদের সহায়তা দেবে। বর্তমানে এমপ্লয়মেন্ট, সেটেলমেন্ট, চিলড্রেন এন্ড ইয়ুথ এবং সিনিয়র সার্ভিসেস কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাঁচ জনের একটা টীম স্বেচ্ছাসেবার ভিত্তিতে এ কাজে সহায়তা করছে। ইতোমধ্যে উডগ্রীন কমিউনিটি সার্ভিসেস এর সাথে পার্টনারশীপ হয়েছে। আশা করছি আগামীতে অনন্যা কমিউনিটি সংগঠনগুলোর সাথেও আমরা পার্টনারশীপের ভিত্তিতে কমিউনিটিকে সহায়তা করার লক্ষ্যে কাজ করবো।”
উল্লেখ্য, চালু হওয়ার দু’মাসের মধ্যে কানাডিয়ান সেন্টারের ফেসবুক গ্রুপ https://www.facebook.com/groups/CCIKTORONTO/ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ইতোমধ্যে এতে প্রায় তিনহাজারের অধিক লোক অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। যাঁদের সবাই কানাডায় বসবাস করছেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার করুন