শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের জন্যে পরিকল্পিত ‘ওয়ার সিমেট্রি’: কুল্লাপাথর

49

সাইফুল আলম চৌধুরী
(পূর্ব প্রকাশিতের পর/ দ্বিতীয় কিস্তি)
তিন. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে কসবা-সালদানদী-মন্দভাগ এলাকার ভৌগোলিক গুরুত্ব:
রেলওয়ে-নদীপথ-সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিদ্যমান থাকার কারণে বর্ণিত অঞ্চলসমূহ পুনর্দখলের স্বপ্নে বিভোর ছিলো পাকিস্তানি শত্রুপক্ষ। আরো একটি কারণ সামরিক কৌশলগত বিবেচনায় গুরুত্বপূর্ণ ছিলো উভয়পক্ষের জন্যে, তাহলো আখাউড়া-আযমপুর-গঙ্গাসাগরসহ পূর্বে উল্লেখিত এলাকাগুলো হলো ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য লাগোয়া সীমান্তবর্তী আর রাজ্যের রাজধানী-আগরতলা অতি সন্নিকটে। মুক্তিযুদ্ধে এক, দুই, তিন এবং চার নম্বর সেক্টরের উল্লেখযোগ্য অংশ এই ত্রিপুরা রাজ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিলো। তাছাড়া বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় সদর দফতর স্থাপিত হয়েছিলো সেই ঐতিহাসিক আগরতলায়।
অন্যদিকে দুই নম্বর সেক্টরের ছয়টি সাব-সেক্টরের মাঝে সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফ তিনটি সাব-সেক্টর- সালদানদী, মন্দভাগ এবং কসবা-গঙ্গাসাগর-আখাউড়া স্থাপন করেন সামরিক ও ভৌগোলিক কৌশলগত কারণে। বর্ণিত অহ্চলমূহ হতে গেরিলা এবং প্রথাগত যুদ্ধের মাধ্যমে শত্রæপক্ষকে প্রতি পদে পদে ব্যস্ত রাখা, উত্যক্ত করা, মুক্তি বাহিনীকে আক্রমণ করার সহজলভ্য পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে শত্রপক্ষকে নিকটবর্তী স্থানে আসার সুযোগ দিয়ে তাদের লোকবল ও মারণাস্ত্র ধ্বংস করার কৌশলও প্রত্যক্ষ করা যায়।
বর্ণিত অঞ্চলসমূহের ভ‚-প্রাকৃতিক গঠন- টিলা-পাহাড় সমৃদ্ধ চড়াই-উৎরাই এলাকা, জলাভ‚মি, নদী পরিবেষ্টিত এবং অরণ্যভ‚মি- ছিলো এ্যামবুশসহ কমান্ডো প্যাটার্নের অভিযানের মাধ্যমে আঘাত হানা এবং দ্রæত অকুস্থল ত্যাগের অনুক‚লে। এছাড়া ঢাকাসহ সেক্টরের অধীন অন্যান্য শহর-শহরতলী মফস্বলে প্রেরিত গেরিলাগণ সেক্টরের বর্ণিত তিনটি সাব-সেক্টর দিয়েই অস্ত্রাবলী-বিস্ফোরক-গ্রেনেড ইত্যাদি নিয়ে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। অনেকে অবরুদ্ধ দেশে অর্পিত দায়িত্ব শেষে বারংবার সিংহভাগ সময়ে এই সেক্টরে ফেরত এসেছিলেন। বস্তুত যুদ্ধাঞ্চল হিসেবে কসবা-সালদানদী-মন্দভাগ-গঙ্গাসাগর কার্যকর উপাদান আর অনন্য বৈশিষ্টাবলীতে মুক্তিযুদ্ধের দিবসসমূহে উজ্জ্বলতর ছিলো।
শত্রæপক্ষ একাত্তরের ১৪ এপ্রিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুনর্দখল করলে সেইদিনই তারা কসবা থানার অনধিক মাইল পাঁচেক অদূরে ‘কুঠি’ নামক স্থানে সর্বপ্রথম ঘাঁটি স্থাপন করে। অত্র অঞ্চলসমূহে দ্বিতীয় এবং চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিরোধ-যোদ্ধা বাঙালি সেনা অফিসার আর সেনা সদস্যগণের সক্রিয় তৎপরতা, বিশেষভাবে পশ্চাদপসরণের পূর্বে আখাউড়া রেলসেতু ধ্বংস করায় বর্ণিত এলাকাসমূহ তাদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যাবার পরম আকাক্সক্ষায় যারপরনাই সচেষ্ট থাকে। তারা চট্টগ্রাম-সিলেট, চট্টগ্রাম-ঢাকা এবং ঢাকা-সিলেট রেল যোগাযোগ অব্যাহত রাখার মানসে সীমান্তঘেষা বর্ণিত এলাকাগুলোর ভেতরে স্থাপিত রেললাইন চালু রাখতে বদ্ধপরিকর ছিলো।
কিন্তু দুই নম্বর সেক্টরের অমিত বিক্রম মুক্তিবাহিনীর উপর্যুপরি আক্রমণে ৩৩ বেলুচ রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাজহারুল কাইয়ুম, ৫৩ গোলন্দাজ বাহিনীর ক্যাপ্টেন আগা বোখারী, মেডিকেল কোরের বাঙালি ক্যাপ্টেনসহ ডজন খানেক মেজর, ক্যাপ্টেন, সুবেদার মেজর ও অন্যান্য র‌্যাংকের জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার নিহত হয়েছে বর্ণিত স্থানসমূহে।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে দুই নম্বর সেক্টরের ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে সমর কৌশলের ভিত্তি নির্মিত হয়েছিলো। রাজধানী ঢাকা হতে ত্রিপুরা সীমান্ত ছিলো ৭০ কিলোমিটার সড়ক পথে। অন্যদিকে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ নদী পথের বিভিন্ন পয়েন্ট- ভৈরব রেলসেতু, দাউদকান্দি ও চাঁদপুর- ছিলো উভয়পক্ষের জন্যে অতীব প্রাধিকার ভিত্তিতে সমান গুরুত্বের। সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফ তাঁর অপরিসীম মেধা, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতায় শত্রæপক্ষকে বিনাশ করেছিলেন উদ্ভাবনী সমর কৌশলে। এই সেক্টরে বর্ণিত উপ-শিরোনামের যুদ্ধাঞ্চলসমূহ তাই মুক্তিযুদ্ধকালে সবিশেষ চিত্তাকর্ষক হয়ে উঠেছিলো।
কুল্লাপাথরে নির্মিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সমাধিতে পরিদর্শনে যাওয়া হলে বাঙালি জনের স্মরণ হবে অবশ্যই, বাংলাদেশে একাত্তরে স্বাধীনতা আর মুক্তির জন্যে জনযুদ্ধ হয়েছিলো।
চার. কুল্লাপাথর ওয়ার সিমেট্রিতে সমাহিত শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্পূর্ণ তালিকা:
১. সুবেদার বেলায়েত হোসেন, বীর উত্তম
২. নায়েব সুবেদার মইনুল হোসেন, বীর উত্তম
৩. সিপাহী সাফিল মিয়া, বীর উত্তম
৪. নায়েব সুবেদার মো: আবদুস সালাম, বীর বিক্রম
৫. ইলাহী বক্স পাটোয়ারী, বীর বিক্রম
৬. মো: জাকির হোসেন, বীর প্রতীক
৭. ল্যান্স নায়েক আবদুল সাত্তার, বীর প্রতীক
৮. প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম
৯. সিপাহী দরশন আলী
১০. মো: আবদুল জব্বার
১১. হাবিলদার তৈয়ব আলী
১২. সিপাহী আক্কাস আলী
১৩. মো: ফখরুল আলম
১৪. সিপাহী মো: ফারুখ আহমেদ
১৫. ল্যান্স নায়েক মাজহারুল ইসলাম
১৬. নূর মিয়া
১৭. নায়েক মোজাম্মেল হক
১৮. মো: নোয়াব আলী
১৯. সিপাহী মসলিম মৃধা
২০. মো: আবদুল অদুদ
২১. সিপাহী তমিজ উদ্দিন
২২. মো: আবুল কাশেম
২৩. মো: মোশাররফ হোসেন
২৪. সিপাহী নুরুল হক
২৫. সিপাহী আশুতোষ রঞ্জন দে
২৬. সিপাহী পরেশ চন্দ্র মল্লিক
২৭. সিপাহী হুমায়ুন কবীর
২৮. মো: আবদুল কাইয়ুম
২৯. ল্যান্স নায়েক মো: আবদুল খালেক
৩০. ল্যান্স নায়েক আজিজুর রহমান
৩১. সিপাহী মো: তারু মিয়া
৩২. সিপাহী মো: রফিকুল ইসলাম
৩৩. সিপাহী মো: মোরশেদ মিয়া
৩৪. সিপাহী মো: তাজুল ইসলাম
৩৫. সিপাহী মো: শওকত
৩৬. সিপাহী আবদুস সালাম সরকার
৩৭. সিপাহী আমির হোসেন
৩৮. সিপাহী মো: জাহাঙ্গীর আলম
৩৯. সিপাহী আবদুল আউয়াল
৪০. সিপাহী মো: জামাল উদ্দিন
৪১. সিপাহী মো: সিরাজুল ইসলাম
৪২. সিপাহী মো: আবেদ আহমেদ
৪৩. সিপাহী ফরিদ উদ্দিন মিয়া
৪৪. সিপাহী মতিউর রহমান
৪৫. সিপাহী শহিদুল হক
৪৬. সিপাহী আনোয়ার হোসেন
৪৭. সিপাহী আবদুল বারী খন্দকার
৪৮. আবদুর রশিদ
৪৯. হাবিলদার শামসু
৫০. অজ্ঞাতনামা মুক্তিযোদ্ধা
৫১. অজ্ঞাতনামা মুক্তিযোদ্ধা
উপরোক্ত তালিকা অনুযায়ী কুল্লাপাথর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিস্থলে সবার সাথে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন তিনজন বীর উত্তম, দুইজন বীর বিক্রম এবং দুইজন বীর প্রতীক। সেই সাথে প্রত্যক্ষ করা যায, ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের হিন্দু ধর্মাবলম্বী দুই বীর সেনানীকেও অকুস্থলে সামরিক মর্যাদায় সমাহিত করা হয়েছে। আরো শায়িত আছেন স্টুডেন্ট প্লাটুনের গেরিলাসহ গণবাহিনীর গণযোদ্ধা, আনসার, মুজাহিদ বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাগণ। বীর এইসব জীবন উৎসর্গকারী বাঙালি সেনানীদের মাঝে সিংহ ভাগই চতুর্থ ইস্ট বেঙ্গল পদাতিক রেজিমেন্টের সেনা সদস্য। আরো রয়েছেন ইপিআর ও সেক্টর ট্রুপস সদস্য।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ক্যাপ্টেন গাফফার উদ্যোগী হয়ে কুল্লাপাথর ‘ওয়ার সিমেট্রি’ স্থাপন করলেও তার ব্যাপক সংস্কার, চিহ্নিতকরণ এবং সংরক্ষণের কার্যাবলী আরম্ভ হয়েছিলো স্বাধীনতা অর্জনের পর বাহাত্তর সালে। সেই মহৎ কাজের উদ্যোগী ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা লুৎফুল হাই সাচ্চু আর তৎকালীন ব্রাহ্মণবাড়িয়া মহকুমা (বর্তমানে জেলা) প্রশাসক এস. এম. রেজা। তাঁদের উদ্যোগে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রায় সবার কবরে নাম ও রেজিমেন্টাল নম্বর শ্বেত পাথরের এফিটাফে উল্লেখ করা হয়। বাহাত্তর সালেই কুল্লাপাথর ‘ওয়ার সিমেট্রি’র সার্বিক সংস্কার সাধন করা হয়।
পরবর্তী সময়ে লে: কর্নেল গাফফার বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী থাকাকালে ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের নিকট হতে সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে সালদানদী হতে কুল্লাপাথর অবধি সড়কের উন্নয়ন করান, যার ফলে সেই সড়ক পথে গাড়ি নিয়ে ওয়ার সিমেট্রি যাতায়াত সম্ভব হয়েছে। তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে কুল্লাপাথর শহীদ-সমাধি এলাকায় যাতে দর্শনার্থীগণ নামাজ আদায় করতে পারে, সে জন্যে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধেরকালে নেয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ও পরিকল্পনা মাফিক সেখানে একটি শান বাঁধানো ঘাটসহ পুকুর নির্মিত হয়েছে তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়। সেখানে সরকারি বরাদ্দে সেই সময় টিউবওয়েলও স্থাপন করা হয়।
এছাড়াও লে: কর্নেল গাফফার কুমিল্লা জেলার তৎকালীন জেলা প্রশাসক রফিক উদ্দিনের সর্বাত্মক সহযোগিতায় ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দকৃত ঢেউটিন দিয়ে ওয়ার সিমেট্রি সংলগ্ন দ্বিতীয় টিলা জমির ওপর গোলাকার কাঠের একটি রেস্ট হাউস নির্মাণ করান, সেখানে অন্য স্থান থেকে আগত দর্শনার্থীরা খানিক বিশ্রাম নিতে পারে কিংবা প্রয়োজনে রাত্রি যাপন করতে পারে অনায়াসে। সালদানদী রেল স্টেশন থেকে আনুমানিক ৩ কিলোমিটার অদূরে টিলার ওপর একটি তোরণ স্থাপিত হয়েছে, যাতে উৎকীর্ণ রয়েছে ‘শহীদ সরনি’।
কুল্লাপাথর ওয়ার সিমেট্রির চারিপার্শ্বে নিরাপত্তা দেয়াল এবং সমাধিস্থলে স্থাপিত হয়েছে শহীদদের নামসহ স্মৃতিসৌধ, যার নির্মাণ ব্যয় হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা।
পাঁচ. কসবা-সালদানদী-মন্দভাগের বিভিন্ন সময়ের রণক্ষেত্র:
একাত্তরের ১৯ এপ্রিল ক্যাপ্টেন গাফফার বর্ণিত যুদ্ধাঞ্চলে প্রতিরোধ-যুদ্ধ অব্যাহত রাখার দায়িত্ব লাভ করেছিলেন। ইতিপূর্বে গঙ্গাসাগরে শত্রæপক্ষ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে সামগ্রিক যুদ্ধ-কৌশল এবং পরিকল্পনায় কসবা-সালদানদী কমপে“ক্স-মন্দভাগ এলাকার গুরুত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। সেই সময় সেইসব যুদ্ধাঞ্চলে এ্যামবুশ-রেইড একেবারে নিত্যদিনের বিষয়ে পরিণত হয়। নীম্নে অতি সংক্ষিপ্ত আকারে অত্র এলাকায় যুদ্ধের স্থান তারিখ উল্লেখ করা হলো : ১. মন্দভাগ-সালদানদী এ্যামবুশ : ১৩ মে। ২. সালদানদী-মন্দভাগ এলাকায় রেলওয়ে ট্রলি এ্যামবুশ : ২১ মে। ৩. মন্দভাগ রেলস্টেশন আক্রমণ : ২৩ মে। ৪. বাটপাড়া জোড়াকানন এ্যামবুশ : ২৫ মে। ৫. সালদা সিএন্ডবি রোড এ্যামবুশ : ২৭ মে। ৬. শিবপুর-সাগরতলা-বাজরা’য় অনুপ্রবেশ ও আক্রমণ : ২৯ মে। ৭. সালদানদী খাদ্যগুদাম হতে চাল ও গমের বস্তা (তিন হাজার মন) উদ্ধার : ১ জুন। ৮. ইয়াকুবপুর ও চার্নাল এলাকায় এ্যামবুশ : ১১ জুন। ৯. মন্দভাগ রেলস্টেশন আক্রমণ : ৩০ জুন। ৯. কসবা-সারদানদী এ্যামবুশ : ১ জুলাই। ১০. লাতুমুড়া রেইড : ২ জুলাই। ১১. শত্রæর মন্দভাগ বাজার-কুটি অগ্রাভিযান প্রতিহতকরণ : ৬ জুলাই। ১২. সালদা নদীতে এ্যামবুশ : ১০ জুলাই। ১৩. সাগরতলা প্রতিরক্ষা-য্দ্ধু : ১০ জুলাই। ১৪. মন্দভাগে আক্রমণ প্রতিহতকরণ : ১২ জুলাই। ১৫. চালনা গ্রাম ও নাক্তের বাজার অভিযান : ১৩ জুলাই। ১৬. চাটুয়াখোলা এ্যামবুশ : ১৬ জুলাই। ১৭. নওগাঁও, স্কুল এ্যাকশন : ২৪ জুলাই। ১৮. পানিয়ারূপ এ্যামবুশ : ৯ আগস্ট। ১৯. ল²ীপুর গ্রামে এ্যামবুশ : ১২ আগস্ট। ২৩. মন্দভাগে শত্রæর বাংকার ধ্বংস : ১৯ আগস্ট। ২১. নয়নপুর রেলস্টেশন আক্রমণ : ২৩ আগস্ট। ২২. মন্দভাগ বাজার রেইড : ২৩ আগস্ট। ২৩. কালামুড়া সেতু ধ্বংস : ২৫ আগস্ট। ২৪. নাগাইশ এ্যামবুশ : ২৬ আগস্ট। ২৫. সালদা নদী বাজারের সন্নিকটে শত্রæর দুই হাবিলদার হত্যা : ২৭ আগস্ট। ২৬. চালনা গ্রাম পুনরুদ্ধার : ৩০ আগস্ট। ২৭. সালদানদী রেল সেতুতে সংঘর্ষ : ৩০ এবং ৩১ আগস্ট। ২৮. মন্দভাগ-কোনাবনে শত্রæর আক্রমণ প্রতিরোধ : ১ সেপ্টেম্বর। ২৯. মইনপুর-মন্দভাগে শত্রæপক্ষের অভিযান প্রতিরোধ : ৯ সেপ্টেম্বর। ৩০. কায়েমপুর ঘাঁটি হতে কৌশলগত পশ্চাদপসরণ : ৯ সেপ্টেম্বর। ৩১. ল²ীপুরে শত্রæ অবস্থানের পশ্চাতে অনুপ্রবেশ ও রেইড : ১১ সেপ্টেম্বর। ৩২. কাযেমপুর শত্রæ ঘাঁটি রেইড : ১৯-২০ সেপ্টেম্বর। ৩৩. মন্দভাগ গ্রাম আক্রমণ প্রতিহতকরণ : ২১ সেপ্টেম্বর। ৩৪. নয়নপুর শত্রæ ঘাঁটিতে আক্রমণ : ২৯ সেপ্টেম্বর। ৩৫. সালদানদী কমপ্লেক্স পুনরুদ্ধারের প্রথম যুদ্ধ : ৩০ সেপ্টেম্বর। ৩৬. সালদানদী রেল স্টেশন এলাকায় শত্রæর আক্রমণ নস্যাৎ : ১৩ অক্টোবর। ৩৭. সালদানদী কমপ্লেক্স পুনরুদ্ধারের দ্বিতীয়-যুদ্ধ : ১৩ নভেম্বর।
(অসমাপ্ত/ চলবে)
লেখক : মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কানাডার যুগ্ম আহ্বায়ক

শেয়ার করুন