গাইবান্ধায় ‘প্লাস্টিকের চাল’ নিয়ে হইচই, জরুরি বৈঠক

9

অনলাইন ডেস্ক : প্লাষ্টিকের চাল নিয়ে হুলস্থুল কান্ড হয়েছে গাইবান্ধায়। প্লাস্টিকের চালের খবর প্রচারের পর অনেকেই দেখে শুনে বুঝে চাল কিনছেন। আবার কেউ কেউ খাদ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন প্রকৃত ঘটনা জানতে। এদিকে চাল নিয়ে ঘটনা জানতে আজ গাইবান্ধা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে একটি বৈঠক করেন।

গত সোমবার গাইবান্ধার কয়েকটি দোকানে প্লাস্টিক সাদৃশ্য চাল পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ইউএনও নেতৃত্বে গাইবান্ধা শহরের কয়েকটি চালের দোকানে অভিযান চালিয়ে চাল আটক করে এবং একটি দোকানে চাল বিক্রি বন্ধ করে দেয়।

পুুলিশ জানায়, সোমবার সকালে আলী হায়দার রনি নামের এক ব্যক্তি তার বাড়িতে ভাত রান্না করতে গিয়ে প্লাস্টিক চালের সাদৃশ্য দেখতে পান। প্লাস্টিক চাল ভেবে তিনি চাল নিয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় হাজির হন।

অভিযোগ পেয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম সরকার ও গাইবান্ধা সদর থানার ওসি শাহরিয়ার খান পুলিশ নতুন বাজারে নোমান মিয়ার চালের দোকানে অভিযান চালিয়ে আরো দেড় বস্তা চাল উদ্ধার করেন এবং দোকানের চাল বিক্রি বন্ধ করে দেন।
এছাড়াও পুলিশ ওই চালের খোঁজে কয়েকটি দোকানে অভিযান চালায়। ক্রেতা রনি মিয়া জানায়, চালটি আগুনে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুড়ে প্লাস্টিকের আকার ধারন করে।

ভুক্তভোগী আলী হায়দার রনি জানান, ভাত খেতে গিয়ে তার কাছে মনে হয়েছে এই ভাত প্রকৃত চালের মতো মনে হচ্ছে না। এই চালের ভাত খেতে গিয়ে তার পেটের ব্যথা শুরু হয়। তখন তার সন্দেহ হলে তিনি চাল যাচাই করতে পুলিশের কাছে যান।

গাইবান্ধার ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক মাসুম আলী বলেন, চালগুলো আদতে প্লাস্টিক কিনা তা পরীক্ষার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে। প্লাস্টিকের চালের খবর প্রচারের পর সাংবাদিকরা ভিড় করছেন অভিযোগকারী ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।

এদিকে গাইবান্ধা জেলা খাদ্য কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম জানান, এই চাল প্লাস্টিকের নয়। অন্যান্য চালের মতোই স্বাভাবিক চাল। কাজেই এতে ঘাবড়ানোর কিছু নেই। গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক আবদুুল মতিন জানান, চাল নিয়ে ভুয়া খবর প্রচার করা হচ্ছে। এই চাল রান্না করে তিনি নিজে খেয়েছেন। কাজেই জনসাধারণের ভুয়া খবরের পেছনে ছুটে বিভ্রান্ত হওয়ার কোন কারণ নেই। সূত্র : মানবজমিন

শেয়ার করুন