বুলবুল-গউছের বরখাস্তের আদেশ স্থগিত

34

ঢাকা : রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল এবং হবিগঞ্জ পৌরসভার মেয়র জি কে গউছকে দ্বিতীয় দফায় সাময়িক বরখাস্তের আদেশ হাই কোর্ট স্থগিত করেছে। বুলবুল ও গউছের দুটি রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে হাইকোর্ট এই আদেশ দেন। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের হাই কোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ দেয়। তাদের সাময়িক বরখাস্তের ওই আদেশ কেন ‘আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত হবে না’- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। একই বেঞ্চ আগের দিন সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বরখাস্তের আদেশও স্থগিত করেছিল। দুই মেয়রের পক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন এখন দুইজনেরই দায়িত্ব পালনে বাধা নেই।
দীর্ঘ ২৩ মাস পর উচ্চ আদালতের রায় পেয়ে গত রোববার নগর ভবনে যান রাসিক মেয়র মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল। তবে দায়িত্ব নেয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের সাময়িক বরখাস্ত হন তিনি। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে এ সিদ্ধান্ত হয়। রাজশাহী নগরীর বোয়ালিয়া থানার একটি মামলায় বুলবুলের বিরুদ্ধে রাজশাহী মহানগর বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ আদালতে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের আন্দোলনে নাশকতার চার মামলায় পুলিশ বুলবুলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০১৫ সালের ৭ মে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। স্থানীয় সরকার বিভাগের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট করেন বুলবুল। এ রিটের রায়ে উচ্চ আদালত বরখাস্ত আদেশ অবৈধ বলে রায় দেয়। এর প্রেক্ষিতে রোববার মেয়রের দায়িত্ব বুঝে নেন তিনি। ওইদিন তাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় আবারো সাময়িক বরখাস্ত করে বার্তা পাঠায়।
অন্যদিকে দায়িত্ব ফিরে পাওয়ার ১১ দিনের মাথায় জি কে গউছকে বরখাস্তের আদেশের কপি গত রোববার বিকেলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এসে পৌঁছে। সুনামগঞ্জে আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের জনসভায় বোমা হামলা মামলার অভিযোগপত্র আদালতে গৃহীত হওয়ায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া হত্যা মামলায় অভিযুক্ত হওয়ায় গত বছরের মার্চে তাকে প্রথমবার বরখাস্ত করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন