Home আন্তর্জাতিক ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

ইরানকে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ধ্বংসের হুমকি ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে ‘উপযুক্ত সময়ে’ ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর ওপর অবরোধ আরোপেরও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

রোববার ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, তিনি মনে করেন ইরান আবারও আলোচনার টেবিলে ফিরবে। তার ভাষায়, ‘আমি মনে করি তারা ফিরে আসবে এবং আমরা যা চাই, সবই দেবে। তাদের হাতে কোনো কার্ড নেই।’

পরে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প আরও কঠোর ভাষায় বলেন, ওয়াশিংটন যুদ্ধের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত এবং প্রয়োজন হলে মার্কিন বাহিনী ‘উপযুক্ত সময়ে’ ইরানকে শেষ করে দেবে।

তিনি দাবি করেন, তার আগের কঠোর মন্তব্যই তেহরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরতে বাধ্য করেছে। ট্রাম্প বলেন, ‘আমি যখন বলি একটি সভ্যতা ধ্বংস হয়ে যেতে পারে, সেটিই তাদের আলোচনায় আসতে বাধ্য করেছে।’

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই নতুন হুমকি দেন তিনি। আলোচনায় অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার পর ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামো, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতুগুলো লক্ষ্যবস্তু করতে পারে।

তার ভাষায়, আমি এক দিনেই ইরানকে ধ্বংস করে দিতে পারি। এমনকি এক ঘণ্টার মধ্যেই তাদের জ্বালানি স্থাপনা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলো অচল করে দেওয়া সম্ভব।

এর পাশাপাশি ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রবেশ বা বের হওয়া যেকোনো জাহাজের ওপর মার্কিন বাহিনী অবিলম্বে নজরদারি ও অবরোধ শুরু করবে বলে জানান। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় এমন সব জাহাজকে খুঁজে বের করতে নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যারা ইরানকে টোল বা শুল্ক দিয়েছে।

ট্রাম্পের দাবি, যারা বেআইনিভাবে ইরানকে টোল দেবে, তাদের গভীর সমুদ্রে নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হবে না।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকে ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালির ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে। বিশ্বের মোট জ্বালানি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হওয়ায় বিষয়টি বিশ্ববাজারে নতুন অস্থিরতা তৈরি করেছে। সূত্র: আল-জাজিরা ও ফক্স নিউজ

 

Exit mobile version