অনলাইন ডেস্ক : উত্তেজনা, হুমকি ও পাল্টা হুমকির পর অবশেষে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। আগামী শুক্রবার তুরস্কে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগবি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফের মধ্যে সরাসরি আলোচনা হবে।

তবে আলোচনা শুরুর আগেই হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন ইরান যদি চুক্তি না করে তাহলে ইরানের সঙ্গে ভয়াবহ কিছু ঘটবে।

ট্রাম্প ইরান নিয়ে তার সর্বশেষ বক্তব্যে আজ বলেছেন, “ইরানের দিকে আমাদের জাহাজ যাচ্ছে— বড় বহর— বড় এবং সেরা— ইরানের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। দেখা যাক কি হয়। যদি আলোচনার মাধ্যমে কোনো সমাধান হয়, অসাধারণ হবে। কিন্তু যদি এরমাধ্যমে না হয় তাহলে (ইরানের সঙ্গে) খারাপ কিছু ঘটবে।”

যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কাছে কি চায়?

গত সপ্তাহে ইরানের কয়েকজন সূত্র বার্তাসংস্থা রয়টার্সকে বলেছিলেন আলোচনা শুরুর জন্য ট্রাম্প তিনটি শর্ত দিয়েছে। প্রথমটি হলো ইউরেনিয়াম মজুদকরণ শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে। দ্বিতীয়টি— ইরানকে তাদের ব্যালিস্টিক মিসাইল কার্যক্রম সীমিত করতে হবে। তৃতীয় শর্ত— হুতি, হিজবুল্লাহসহ অন্যান্য প্রক্সি বাহিনীকে সহায়তা বন্ধ করতে হবে।

ইরান ট্রাম্পের এসব শর্ত মানবে বলে ইঙ্গিত দিয়ে আসছে। তবে ইরানের দুজন সূত্র বলেছেন, তারা পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়ার ব্যাপারে আলোচনা করতে রাজি আছেন। কিন্তু ব্যালিস্টিক মিসাইল নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না।

প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে মধ্যপ্রাচ্যের দুজন আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইরান পারমাণবিক কার্যক্রম স্থগিত বা পুরোপুরি বন্ধ করে দিতেও রাজি আছে।

সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল