অনলাইন ডেস্ক : ভেনেজুয়েলায় তেল খাতে ব্যাপক বিনিয়োগ থেকে বিপুল অর্থ উপার্জনের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার (০৯ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে শীর্ষ তেল কোম্পানির নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি বলেন, ‘প্রচুর অর্থ উপার্জন হতে চলেছে।’
হোয়াইট হাউস থেকে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে রওনা দেয়ার সময় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলোর সঙ্গে আমাদের দারুণ একটি বৈঠক হয়েছে। তারা শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে এবং তেল উত্তোলনে যাবে।’ তার এই মন্তব্যে ভেনেজুয়েলার বিশাল তেল সম্পদকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের বড় অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ইঙ্গিত পাওয়া যায়।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি ভোরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করা হয়। অভিযানের পর তাদের দেশ থেকে সরিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে নেয়া হয়। বর্তমানে তারা সেখানে মাদক ও অস্ত্র–সংক্রান্ত অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি। তবে, আদালতে তারা নিজেদের নির্দোষ বলে দাবি করেছেন।
ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদ প্রকাশ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা যা করেছি, কেউ কেউ বলবে এটা প্রায় অলৌকিক। এতে ভেনেজুয়েলা খুশি, আমার মনে হয় দক্ষিণ আমেরিকার সবাই খুশি হবে।’
এদিকে শুক্রবার ভেনেজুয়েলার সরকার ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের লক্ষ্যে তারা একটি ‘অনুসন্ধানমূলক প্রক্রিয়া’ শুরু করবে। এক বিবৃতিতে বলা হয়, আন্তর্জাতিক আইনের কাঠামোর মধ্যে থেকে এবং জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও শান্তিপূর্ণ কূটনীতির নীতি মেনে এই উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।
তবে একই সঙ্গে কারাকাস যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানকে তীব্র ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। ভেনেজুয়েলার সরকার এটিকে অপরাধমূলক, অবৈধ ও অনৈতিক আগ্রাসন হিসেবে আখ্যা দেয়। তাদের দাবি, এই অভিযানের ফলে ১০০ জনের বেশি বেসামরিক নাগরিক ও সামরিক সদস্য নিহত হয়েছেন এবং এতে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘিত হয়েছে।
সূত্র: আনাদোলু






