বিনোদন ডেস্ক : ২ অক্টোবর বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান ছেলে আরিয়ান খানকে আটক করেন ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রক সংস্থার (এনসিবি) অন্যতম তদন্তকারী অফিসার সামির ওয়াংখেড়ে। এরপর থেকেই নানাভাবে সমালোচিত হচ্ছেন তিনি। সম্প্রতি আরিয়ানের মাদক কাণ্ডে ঘুষ নেওয়া ও দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর এখন তিনি নিজেই ভুগছেন গ্রেফতার আতঙ্কে।

অভিযোগ উঠেছে, অর্থের বিনিময়ে শাহরুখের ছেলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য জোগাড়ের চেষ্টা করেছেন তিনি। যদিও সেই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে এনসিবি। সামিরের বিরুদ্ধে অনেকেই আইনি পদক্ষেপ করার কথাও বলেছেন। এমন পরিস্থিতিতে আশঙ্কায় ভুগছেন এনসিবির এই জোনাল হেড। যে কারণেই সুরক্ষা চাইতে গতকাল (২৪ আগস্ট) মুম্বাই পুলিশ কমিশনারের কাছে গিয়েছিলেন তিনি। এরপর আজ আদালতের দ্বারস্থ হলেন সামির।

এদিন সামির বলেন, ‘আমার পরিবার, বোন, এমনকি মৃত মাকেও নিশানা করা হচ্ছে। যেকোনও ধরনের তল্লাশির জন্য আমি রাজি। ১৫ বছর ধরে কাজ করছি। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত জীবন আর কাজ নিয়ে এমন অভিযোগ এর আগে কখনও ওঠেনি।’

এই মামলার অন্যতম সাক্ষী প্রভাকর শৈল গতকাল দাবি করেছেন প্রমোদতরিতে তল্লাশি চালানোর দিন এনসিবি তার মালিক কিরণ গোসাভিকে দিয়ে ১০ পাতার একটি ফাঁকা দলিলে সই করিয়ে নেয়।

সামির ওয়াংখেড়েকেকে বলা হয় মাদক নিয়ন্ত্রণের ‘নায়ক’। তবে তার কাজে বহুবার হয়েছে সমালোচনা। বিশেষ করে বলিউডের প্রতি তার ব্যক্তিগত আক্রোশ রয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। এমনকি তার অভিনেত্রী স্ত্রী বলিউডে স্থান পাননি বলেই সামির এ বিষয়ে একরোখা বলে গুজবও আছে।

মাদক অভিযান ছাড়াও এর আগে নানা কারণে আলোচিত-সমালোচিত সামির। ২০১১ সালে আমদানি শুল্ক না দেওয়ায় মুম্বাই বিমানবন্দরে আটকে দেন বিশ্বকাপ ক্রিকেটের ট্রফি। শেষ পর্যন্ত শুল্ক মিটিয়ে ট্রফি ছাড়াতে হয়। একই বছর অতিরিক্ত শপিং করে দেশে ফেরায় শাহরুখ খান ও তার স্ত্রী গৌরি খানকে দিনভর জেরা করেছিলেন সামির। এরপর জরিমানা দিয়ে বিমানবন্দর থেকে ছাড়া পান তারা।