অনলাইন ডেস্ক : গোটা বিশ্বে শেয়ারবাজার চাঙা হয়েছে। চলতি মাসে সুদের হার বৃদ্ধি থেকে বিরত থাকতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ (ফেড)। এতে দেশটির মুদ্রা ডলারের দাম কমেছে। ইতোমধ্যে মার্কিন জাতীয় ঋণ সীমা বৃদ্ধি চুক্তি বিল পাস হয়েছে। ফলে বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাজারে উত্থান ঘটেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। এতে বলা হয়, মার্কিন ট্রেজারি ইল্ড নিম্নমুখী হয়েছে। ফলে শেয়ারের দাম বেড়েছে। ইউরোপের বৃহৎ স্টোকস ৬০০ সূচক বৃদ্ধি পেয়েছে ১ শতাংশ। ইউরোপিয়ান মাইনিং স্টোকস ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে ৪ দশমিক ৪ শতাংশ।

ধুঁকতে থাকা সম্পত্তি খাতে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে চীন। এতে ইউরোপের মতো এশিয়ার স্টোকস মার্কেটে ঊর্ধ্বমুখিতা তৈরি হয়েছে। জাপানের বাইরে এশিয়া প্যাসিফিক শেয়ারের এমএসসিআইয়ের বৃহৎ সূচক বেড়েছে ২ দশমিক ৩ শতাংশ।

জাপানের নিক্কেই সূচক ব্যাপক ঊর্ধ্বগামী হয়েছে। ১৯৯০ সালের জুলাইয়ের পর যা সর্বোচ্চ। এশিয়া ও ইউরোপের মতো আমেরিকার পুঁজিবাজারেও সুবাতাস লেগেছে। নাসডাক ও এসঅ্যান্ডপি ৫০০ ফিউচার্স বৃদ্ধি পেয়েছে শূন্য দশমিক ৫ শতাংশ।

এসময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। তামার দর চড়া হয়েছে। ডলারের বিপরীতে অন্যান্য মুদ্রার মানও ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে।

নিউটন ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্টের পোর্টফোলিও ম্যানেজার ফিল শুখস্মিথ বলেন, মূল বিষয় হলো ইউএস জাতীয় ঋণ সীমা বৃদ্ধি হচ্ছে। শিগগিরই এ নিয়ে আইন পাস হচ্ছে। তাতে খেলাপির হাত থেকে বেঁচেছে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি। যার ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে বিভিন্ন অঞ্চলের শেয়ারবাজারে।