অনলাইন ডেস্ক : অমর একুশে ফেব্রুয়ারি, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্রথমে ফুল দিয়ে প্রথমে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার ত্যাগ করার পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেদিতে ফুলেল শ্রদ্ধা জানান।
প্রধানমন্ত্রী কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করে ভাষা শহীদদের প্রতি সম্মান জানান এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করেন।
এরপর ১২টা ১২ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রীসভার সদস্যরা শহীদ বেদিতে ফুল অর্পণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্যরা।
পরবর্তীতে জিয়া পরিবারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানের সঙ্গে শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন।
এরআগে শহীদ মিনারে প্রবেশের প্রতিটি সড়কে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিজিবি, ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন বাহিনীর কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়।
শ্রদ্ধা নিবেদনের পর রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ওই এলাকা ত্যাগ করলে সর্বস্তরের জনগণের জন্য শহীদ মিনার খুলে দেওয়া হবে। এরপর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে হাজারো মানুষের ঢল নামবে। ১৯৫২ সালের এই দিনে ভাষাশহীদদের সর্বশ্রেষ্ঠ আত্মত্যাগকে স্মরণ করার জন্য এসব মানুষ হাতে ফুল নিয়ে এবং ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গুনগুন করে গেয়ে খালি পায়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
এরআগে একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদ মিনার এলাকা ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। দিবসটি উপলক্ষে শহীদ মিনার এলাকার দেয়াল ও রাস্তাকে রংতুলির আঁচড়ে আলপনায় সাজিয়েছেন চারুকলার শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। শিল্পীর রং তুলিতে সাজানো হয়েছে শহীদ মিনারের আশেপাশের সবগুলো সড়ক। দেখে মনে হয়, নতুন রূপে সেজেছে শহীদ মিনার।






