অনলাইন ডেস্ক : তুরস্কে ভূমিকম্প পরবর্তী প্রভাব থেকে কর্মী ও ব্যবসায়িকদের রক্ষায় একটি অস্থায়ী মজুরি সহায়তা প্রকল্প চালুসহ ক্ষতিগ্রস্ত দশটি শহরে কর্মী ছাঁটাই নিষিদ্ধ করেছে দেশটির সরকার।
ইতিহাসে তুরস্কের সবচেয়ে খারাপ ভূমিকম্পের অর্থনৈতিক প্রভাব কমানোর জন্য বুধবার তুর্কি সরকার এ পদক্ষেপ নেয়েছে।
গত ৬ ফেব্রুয়ারি শুরুতে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে আঘাত করা ভূমিকম্পের কারণে ব্যাপকভাবে আর্থিক সংকটে পরে ক্ষতিগ্রস্ত শহরের বাসিন্দারা।তুরস্ক এবং সিরিয়া দুটি দেশেই ভয়ংকর ভূমিকম্প সব কিছু তছনছ করে দিয়েছিল। ওই ভূমিকম্পে ৪৪ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। এ ছাড়া ঘরবাড়ি ছাড়া হয় লাখো মানুষ।
যেসব কর্মক্ষেত্র ভূমিকম্পের আঘাতে ব্যাপকভাবে বা মাঝারিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এই তহবিল থেকে সাহায্য করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এতে যাদের কর্ম-ঘণ্টা কাটা হয়েছে তাদের আংশিক মজুরি প্রদান করতে পারবে প্রতিষ্ঠান। বুধবার দেশটির অফিসিয়াল গেজেট এ তথ্য জানিয়েছে।
জরুরি অবস্থার আওতায় থাকা ১০ টি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত প্রদেশে ছাঁটাইয়ের উপর নিষেধাজ্ঞাও চালু করে। প্রেসিডেন্ট তাইয়্যেপ এরদোগানের অনুরোধে তুরস্কের পার্লামেন্ট ৭ ফেব্রুয়ারি তিন মাসের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
এর আগেও কোভিড-১৯ ধাক্কা মোকাবিলায় সরকার বেতন সহায়তার পাশাপাশি ২০২০ সালে ছাঁটাই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ব্যবসায়িক গোষ্ঠী এবং অর্থনীতিবিদরা বলেছেন, ভূমিকম্পে আঙ্কারায় আবাসন এবং অবকাঠামো পুনর্নির্মাণে ১০০ বিলিয়ন ডলার পর্যন্ত ব্যয় করতে হতে পারে। যার ফলে এ বছরে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এক থেকে দুই শতাংশ কম হতে পারে।
