Home আন্তর্জাতিক তুরস্কে সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা বাইডেনের

তুরস্কে সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা বাইডেনের

অনলাইন ডেস্ক : শতাব্দীর অন্যতম ভূমিকম্পে বিপর্যস্ত তুরস্ক। নিহতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। আহত পাঁচ হাজারের বেশি। বিধ্বস্ত হয়েছে তুরস্কের প্রায় তিন হাজার ভবন। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। এমন অবস্থায় আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট।

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এক টুইট বার্তায় তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেন, যত দ্রুত সম্ভব আমরা একসঙ্গে এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠবো। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় তাৎক্ষণিক অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। এছাড়া অন্যান্য ইউনিট সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

এদিকে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত তুরস্কে সহায়তা পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। স্থানীয় সময় রোববার এক টুইট বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন প্রেসিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা জ্যাক সুলিভান।

টুইট বার্তায় সুলিভান বলেন, ‘আমি তুরস্কের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগের মধ্যে আছি এবং তাদের জানিয়েছি, এই দুর্যোগে তুরস্ককে সব ধরণের সহায়তার জন্য আমরা প্রস্তুত। তুরস্কের সঙ্গে যুগপৎভাবে আমরা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি।’

হোয়াইট হাউসের এক কর্মকর্তা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানকে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট- ইউএসএইড) ও অন্যান্য সরকারি সংস্থাকে তুরস্ক ও সিরিয়ার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও সহায়তা পাঠানোর ব্যাপারটি দেখভাল করার নির্দেশ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সিরিয়ার সীমান্তবর্তী শহর গাজিয়ানতেপে স্থানীয় সময় ভোর ৪ টা ১৭ মিনিটে আঘাত হানে ভূমিকম্পটি। এর উৎপত্তিস্থল ছিলো ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে। ১১ মিনিট পরে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর প্রভাবে তুরস্কের গাজিয়ানটেপ, মালাত্যা ও সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে ধসে পড়েছে একাধিক ভবন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের দাবি, ধ্বংসস্তুপে চাপা পড়ে আছেন আরও অনেকে। তাই আরও বাড়তে পারে হতাহতের সংখ্যা। তুরস্ক ছাড়াও সাইপ্রাস, গ্রিস, জর্ডান ও লেবাননেও অনুভূত হয়েছে এই ভূমিকম্প।

এক প্রতিবেদনে বিবিসি জানায়, ভূমিকম্পে উভয় দেশে অনেক ভবন ধসে পড়েছে। এতে অনেকেই আটকা পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান চলছে।

Exit mobile version