অনলাইন ডেস্ক : গম রপ্তানি নিষিদ্ধ করার ভারতের আকস্মিক সিদ্ধান্ত চাল রপ্তানিতে সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি করেছে। যে কারণে ব্যবসায়ীরা তড়িঘড়ি করে চাল কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন এবং অনেক পরের তারিখেও সরবরাহ পাওয়ার জন্য চালের অর্ডার করছেন।
ভারতের সরকার ও বাণিজ্য কর্মকর্তারা বলেছে, বিশ্বের বৃহত্তম চালের রপ্তানিকারক ভারতের আপাতত চালানের লাগাম টানার কোনও পরিকল্পনা নেই। স্থানীয় বাজারে চালের দাম এখনও কম এবং রাষ্ট্রীয় গুদামেও প্রচুর মজুত রয়েছে।
দেশটির এই ঘোষণা ইতোমধ্যে ক্রমবর্ধমান দামের সাথে ধুঁকতে থাকা আমদানি-নির্ভর দেশগুলোর জন্য কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে। কিন্তু ভারতের ধান উৎপাদনের মৌসুম শুরু হতে এখনও অনেক দেরী এবং ফসল উৎপাদনে কোনও ব্যত্যয় ঘটলে তা দেশটির প্রধান এই খাদ্য শস্য রপ্তানির নীতিতেও পরিবর্তন আনতে পারে।
ভারতে চালের উৎপাদন কেমন হবে তা অনেকটা মৌসুমী বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে। চলতি বছর প্রচুর বৃষ্টিপাত হওয়ায় তা বিশ্বজুড়ে চাল বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নেতৃস্থানীয় অবস্থান ধরে রাখতে সাহায্য করবে দেশটিকে।
তবে বর্ষাকালে যদি অস্বাভাবিক বৃষ্টিপাত হয়, সেক্ষেত্রে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হবে এবং ফলন কমে যাবে। এর ফলে দেশটির চাল উৎপাদনের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা ব্যাহত হবে। একই সঙ্গে দেশের ১৪০ কোটি মানুষের পর্যাপ্ত খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রপ্তানিতেও লাগাম টানতে হতে পারে।
