ই-পেপার

আকাশে ট্রাম্পের হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমান মুখোমুখি, তদন্তে মার্কিন সংস্থা

যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার

আপডেট: ০৬ আগস্ট ২০২৬, ০৯:২৮
৩২ ভিউ
আকাশে ট্রাম্পের হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমান মুখোমুখি, তদন্তে মার্কিন সংস্থা

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের আকাশে ট্রাম্পকে বহনকারী সামরিক হেলিকপ্টার ‘মেরিন ওয়ান’ ও একটি যাত্রীবাহী বাণিজ্যিক বিমানের মধ্যে বিপজ্জনকভাবে দূরত্ব কমে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিকেলের এই ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ও ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্টেশন সেফটি বোর্ড (এনটিএসবি)।

মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে নিয়ে মেরিন ওয়ান অ্যান্ড্রুস বিমান ঘাঁটির দিকে যাওয়ার জন্য হোয়াইট হাউস থেকে উড্ডয়ন করে। একই সময়ে নিকটবর্তী রিগান ওয়াশিংটন ন্যাশনাল বিমানবন্দর থেকে ‘এনভয় এয়ার’ পরিচালিত আমেরিকান এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক বিমান (এমব্রেয়ার ই-১৭০) উড্ডয়ন করে।

সাধারণ নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী, প্রেসিডেন্টের বিমান বা হেলিকপ্টার চলাচলের সময় আশেপাশের বাণিজ্যিক বিমান চলাচল স্থগিত রাখার কথা থাকলেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল তা করতে ব্যর্থ হয়। যোগাযোগের অস্পষ্টতা ও বিলম্বের কারণে আকাশে হেলিকপ্টার ও যাত্রীবাহী বিমানের দূরত্ব ১ মাইলেরও নিচে চলে আসে।

উল্লেখ্য, ফেডারেল নিরাপত্তা আইন অনুযায়ী দুইটি উড্ডয়নরত যানের মধ্যে আনুভূমিকভাবে অন্তত ১.৫ মাইল অথবা উল্লম্বভাবে ৫০০ ফুট নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।

পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হলেও হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র কুশ দেসাই নিশ্চিত করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট কোনো মুহূর্তেই বিপদের মুখে ছিলেন না। মেরিন ওয়ান বিশ্বের সেরা বৈমানিকদের দ্বারা পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি জানান, ঘটনাটি নিয়ে আনুষ্ঠানিক পর্যালোচনা চলছে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। মার্কিন বিমান চলাচল নিয়ামক সংস্থা এফএএ জানায়, দুইটি বিমানের দূরত্ব নির্ধারিত নিরাপত্তার নিচে নেমে যাওয়ার মুহূর্তটিতেও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল উভয় বিমানের পাইলটদের সাথেই সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছিল।

উল্লেখ, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটনের একই বিমানবন্দর এলাকায় যাত্রীবাহী বিমান ও সেনা হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে ৬৭ জন নিহত হওয়ার পর থেকে এই আকাশসীমায় নিরাপত্তা প্রটোকল অত্যন্ত কড়া করা হয়েছিল। মঙ্গলবার কোনো বড় দুর্ঘটনা না ঘটলেও প্রটোকল ভঙ্গের এই মারাত্মক ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন বিমান চলাচল প্রশাসন।