ই-পেপার

এআই ড্রামার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, বদলে যাচ্ছে চীনের বিনোদন দুনিয়া

মাত্র এক থেকে তিন মিনিটের প্রতিটি পর্ব যার শেষ মুহূর্তে চমক। আর সেই পর্ব শেষ হলেই পরবর্তী অংশ জানার আগ্রহ বেড়ে যায় দর্শকের। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের এই অভ্যাসকে কেন্দ্র করেই চীনে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাইক্রো-ড্রামা।

আপডেট: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১১:২৭
৪ ভিউ
এআই ড্রামার জনপ্রিয়তা বাড়ছে, বদলে যাচ্ছে চীনের বিনোদন দুনিয়া

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

বিনোদন ডেস্ক : মাত্র এক থেকে তিন মিনিটের প্রতিটি পর্ব যার শেষ মুহূর্তে চমক। আর সেই পর্ব শেষ হলেই পরবর্তী অংশ জানার আগ্রহ বেড়ে যায় দর্শকের। স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের এই অভ্যাসকে কেন্দ্র করেই চীনে দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাইক্রো-ড্রামা। আর এই শিল্পে নতুন গতি এনেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)। প্রযুক্তির সহায়তায় কম সময়ে ও কম খরচে বিপুল পরিমাণ নাটক তৈরি করে এখন বহু-বিলিয়ন ডলারের বাজার গড়ে তুলছে দেশটি।

ইউর স্টোরির এক প্রতিবেদনে জানা যায়, বর্তমানে চীনের অনেক প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান নাটক তৈরির প্রায় প্রতিটি ধাপেই জেনারেটিভ এআই ব্যবহার করছে। গল্প লেখা, স্টোরিবোর্ড তৈরি, ভিডিও নির্মাণ, কণ্ঠস্বর তৈরি, সম্পাদনা এবং পোস্ট-প্রোডাকশন সব ক্ষেত্রেই এআই দিয়ে কাজ হচ্ছে। শিল্প-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, এআই ব্যবহারের ফলে একটি নাটক তৈরির সময় কয়েক মাস থেকে কমে কয়েক সপ্তাহে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে উৎপাদন ব্যয়ও কমেছে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ।

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে চীনে প্রতিদিন গড়ে ৪৭০টি এআই-নির্মিত মাইক্রো-ড্রামা প্রকাশিত হয়েছে। মার্চ মাসে বিভিন্ন স্ট্রিমিং ও শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্মে এক মাসেই কয়েক হাজার নতুন এআই-নির্ভর শিরোনাম যুক্ত হয়েছে। আর এআই ব্যভারের কারণে ভিন্নটা দেখা দিচ্ছে গল্পে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ২০২৬ সালে চীনের মাইক্রো-ড্রামা বাজারের আয় ১২ হাজার কোটি ইউয়ান ছাড়িয়ে যেতে পারে। এই আয় দেশটির সিনেমা হলভিত্তিক বক্স অফিসকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চীনের বাইরে আন্তর্জাতিক বাজারেও এই নাটকের চাহিদা বাড়ছে। বিভিন্ন ভাষায় সাবটাইটেল, ডাবিং এবং স্থানীয় দর্শকদের উপযোগী গল্পের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।