সেন্টকমের ভাষ্য, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর
ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক : সেন্টকমের ভাষ্য, ‘মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর গতকালের ইরানের হামলার চেষ্টার জবাবে এটি শক্তিশালী জবাব।’
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘খুব কঠোর’ জবাব দেয়ার ঘোষণা দেন। মিশরে যুক্তরাষ্ট্রের মালিকানাধীন একটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ট্যাংকারে ড্রোন হামলার পর তিনি এ মন্তব্য করেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা তাদের ওপর খুব কঠোরভাবে আঘাত হানব, কারণ এবার আমাদের পালা। তারা জানে, এটি আসছে।’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। ওয়াশিংটন ইরানে হামলা চালানোর পর তেহরানও উপসাগরীয় অঞ্চলের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক স্থাপনা ও সরঞ্জামকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
এদিকে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা বলছে, ইরানের সর্বশেষ হামলার পর দক্ষিণ ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, খুজেস্তান প্রদেশের আবাদানে কয়েকটি স্থাপনা লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা হয়েছে।
এছাড়া হরমোজগান প্রদেশের বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই ধরনের বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে আবু মুসা, কিশ ও কেশম দ্বীপেও। তবে হরমোজগান প্রদেশের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সিরিক শহরে কোনও হামলা হয়নি।
আইআরআইবি আরও জানিয়েছে, ইরানের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত বুশেহর প্রদেশেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। অন্যদিকে আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, কেশম দ্বীপে শহরের ভেতরে তিনটি বিস্ফোরণ হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাতে সংস্থাটি জানায়, একটি ক্ষেপণাস্ত্র আবাসিক এলাকায় আঘাত হেনেছে। তবে এতে হতাহতের কোনও তথ্য এখনও পাওয়া যায়নি। এছাড়া প্রেস টিভি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হামলা শুরুর পর দক্ষিণ ইরানের কয়েকটি স্থানেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।