ই-পেপার

কানাডার অন্টারিওতে ‘বাই অন্টারিও, বাই কানাডিয়ান’ নীতি জোরদার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্যিক উত্তেজনার মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের

আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২২:১৫
৩৬ ভিউ
কানাডার অন্টারিওতে ‘বাই অন্টারিও, বাই কানাডিয়ান’ নীতি জোরদার

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান বাণিজ্যিক উত্তেজনার মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ের সরকারি ক্রয়ে ‘বাই অন্টারিও, বাই কানাডিয়ান’ নীতি জোরদার করেছে অন্টারিও প্রশাসন। নতুন নীতিমালার আওতায় প্রদেশের পৌরসভাগুলোকে পণ্য ও সেবা কেনার ক্ষেত্রে অন্টারিও ও কানাডায় উৎপাদিত পণ্যকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

২০২৬ সালের ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া ‘মিউনিসিপ্যাল বাই অন্টারিও প্রকিউরমেন্ট ডিরেক্টিভে প্রদেশের সব পৌরসভা, নির্ধারিত স্থানীয় বোর্ড এবং পৌর সেবা করপোরেশনের ওপর প্রযোজ্য। নীতিমালায় সরকারি ক্রয়ে অন্টারিও ও কানাডীয় পণ্য ও সেবা অগ্রাধিকার দেয়ার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

বিশেষ করে পৌরসভাগুলোর ফ্লিট গাড়ি এবং মূলধনী অবকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ক্রয়-শর্ত কার্যকর হয়েছে। মূলধনী অবকাঠামো প্রকল্পে নতুন নিয়ম পৌরসভাগুলোর জন্য চলতি বছরের ১৫ মে থেকে কার্যকর হয়।

অন্টারিও সরকারের ২০২৬ সালের বাজেটেও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ও বৈশ্বিক বাণিজ্য অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে এই নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্থানীয় শিল্প ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। সরকার একই সঙ্গে নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের কথা জানিয়েছে। সম্ভাব্য ব্যবস্থার মধ্যে অর্থ আটকে রাখা, সরবরাহকারীর কার্যক্রমের ওপর ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনে ভবিষ্যৎ সরকারি ক্রয়ে কোনো বিক্রেতাকে নিষিদ্ধ করার মতো পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে নীতিটি সব পরিস্থিতিতে একেবারে ব্যতিক্রমহীন নয়। জরুরি ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় ক্রয়ের জন্য ছাড় রয়েছে। একই সঙ্গে কোনো নির্দিষ্ট অবকাঠামো ক্রয়ে স্থানীয় পণ্য ব্যবহারের ফলে ব্যয় ২৫ শতাংশ বা তার বেশি বাড়ার আশঙ্কা থাকলে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে ব্যতিক্রমের সুযোগ রাখা হয়েছে।

অন্টারিও সরকার বলছে, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো স্থানীয় সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করা, অন্টারিওর ব্যবসা ও কর্মসংস্থানকে সহায়তা করা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার প্রভাব কমানো। অন্টারিও প্রিমিয়ার ডগ ফোর্ড বলেছেন, স্থানীয়ভাবে পণ্য ও সেবা কেনা এখন আর কোনো পছন্দ নয়, এটি বাধ্যতামূলক।