দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল করে
ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি
স্পোর্টস ডেস্ক : দ্বিতীয়ার্ধে মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল করে লিলকে উড়িয়ে দিয়েছে আর্সেনাল। মঙ্গলবার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে ফরাসি ক্লাবটিকে ৩-০ গোলে হারিয়ে উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের শতভাগ জয়ের ধারা ধরে রেখেছে মিকেল আর্তেতার দল।
এই জয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকা বার্সেলোনা ও স্পোর্তিং লিসবনের সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষস্থান ভাগ করে নিয়েছে আর্সেনাল।
শনিবার লিডস ইউনাইটেডকে ২-১ গোলে হারানো দল থেকে পাঁচটি পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামে আর্সেনাল। তবে প্রথমার্ধে গোলের দেখা পায়নি স্বাগতিকেরা। গোলশূন্য প্রথমার্ধ শেষে বরং স্বস্তিতে ছিল লিল। ফরাসি দলটি একবার বল জালে পাঠালেও আয়াসে উয়েদার অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়।
বিরতির আগে আর্সেনালকে এগিয়ে নেওয়ার সবচেয়ে ভালো সুযোগ পেয়েছিলেন ব্রুনো গিমারায়েস। কাছ থেকে নেওয়া তার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরে দূর থেকে নেওয়া তার জোরালো শট ফিরিয়ে দেন লিলের গোলরক্ষক বেরকে ওজের।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। ৬০ মিনিট পেরোতেই ননি মাদুয়েকের বাড়ানো বল থেকে চমৎকার ফিনিশিংয়ে গোল করেন ইউরিয়েন টিম্বার। তার এই গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল, খুলে যায় গোলের পথ।
এরপর আক্রমণে আরও গতি বাড়াতে বেঞ্চ থেকে তিন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় বুকায়ো সাকা, কাই হাভার্টজ ও মার্টিন ওডেগার্ডকে মাঠে নামান আর্তেতা। তাদের মাঠে নামার প্রভাবও পড়ে দ্রুত।
সাকার নিচু ক্রস থেকে বল পেয়ে শট নেন এবেরেচি এজে। প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করা বল জালে জড়ালে ব্যবধান দ্বিগুণ হয় আর্সেনালের। এরপর হাভার্টজের কাটব্যাক থেকে দারুণ দলীয় আক্রমণ শেষ করে নিজের নামের পাশে গোল যোগ করেন সাকা। মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে তিন গোল করে ম্যাচের ভাগ্য নিশ্চিত করে ফেলে আর্সেনাল।
ম্যাচের শেষ দিকে লিলের হয়ে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামেন অলিভিয়ের জিরু। ছয় বছরের মেয়াদে আর্সেনালের হয়ে ১০৫ গোল করা এই ফরোয়ার্ডের পুরোনো ক্লাবে ফেরায় গ্যালারিতে উচ্ছ্বাস দেখা যায়। তবে এমিরেটসে আরেকটি গোলের দেখা পাননি তিনি।
অন্যদিকে, চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে রিয়াল বেতিসের কাছে হারের পর এবার আর্সেনালের বিপক্ষেও পরাজিত হলো লিল। ফলে প্রতিযোগিতায় এখনো পয়েন্টের খাতা খুলতে পারেনি ফরাসি ক্লাবটি।
দ্বিতীয়ার্ধের দুর্দান্ত আক্রমণাত্মক ফুটবলে আর্সেনাল আবারও বুঝিয়ে দিল, ইউরোপের সর্বোচ্চ পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় এবারও শিরোপার অন্যতম দাবিদার তারা।