ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের
ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক : ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা আরোপের সম্ভাবনার মধ্যে সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১ ডলারের বেশি কমেছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি সরবরাহ আরও ব্যাহত হতে পারে এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা মুনাফা তুলে নেওয়ায় তেলের দামে এই পতন হয়েছে।
সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৪৯ ডলার বা ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ৯০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৭৪ ডলার বা ২ শতাংশ কমে ৮৫ দশমিক ৩২ ডলারে দাঁড়ায়। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
এর আগে টানা দুই সপ্তাহ তেলের দাম বেড়েছিল। গত সপ্তাহে ব্রেন্ট ও ডব্লিউটিআই দুই ধরনের অপরিশোধিত তেলের দামই ৫ শতাংশের বেশি বাড়ে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা অচলাবস্থায় পৌঁছানো এবং হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে যাওয়ায় তেলের সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ থেকেই এই ঊর্ধ্বগতি হয়েছিল।
বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ঐতিহাসিকভাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। তবে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে জাহাজ চলাচল বর্তমানে প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট সংবাদ সম্মেলনে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার কথা রয়েছে। তিনি এর আগে ইরানের ওপর ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা’ আরোপের হুমকি দিয়েছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রাখা দেশগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন।
ইরান যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞার পরিকল্পনার নিন্দা করেছে। তবে দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন।