গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে ফোর্বসের
ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি
অনলাইন ডেস্ক : গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে ফোর্বসের শীর্ষ সম্পাদককে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কনটেন্ট কর্মকর্তা র্যান্ডাল লেনের বিরুদ্ধে ‘শুক রিসার্চ’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা আরজে শুকের কাছ থেকে গোপনে প্রায় ৬০ লাখ ডলার নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেন ও শুক একে অপরকে বহুদিন ধরে চিনতেন। শুকের প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে ফোর্বসের সঙ্গে কাজ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে ফোর্বসের অংশীদারিত্বের পাশাপাশি তাদের মধ্যে পেশাগত সম্পর্কও গড়ে উঠেছিল। ফোর্বস চলতি বছরের শুরুতে এই অর্থ গ্রহণের বিষয়টি জানতে পারে। এ ঘটনায় গত জুলাই মাসে লেনকে বরখাস্ত করা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক কেন লেনকে অর্থ দিয়েছিলেন, তা এখনও জানা যায়নি। ২০১৩ সালে ফোর্বস আয়োজিত লাইবেরিয়া সফরে অংশ নেওয়ার পর লেন ও শুক বিশেষভাবে ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন।
বিষয়টি সম্পর্কে অবগত এক ব্যক্তি বলেন, লেন পরবর্তীতে শুকের একজন অনানুষ্ঠানিক উপদেষ্টা হয়েছিলেন। তিনি প্রায় ৬০ লাখ ডলারের এই অর্থকে বন্ধুর কাছ থেকে পাওয়া একটি ব্যক্তিগত উপহার হিসেবে দেখেছিলেন। এমনকি তিনি বিষয়টি ফোর্বসের কাছেও গোপন রাখেন।
প্রাইভেট ইক্যুইটি ফার্ম পিপিসি এন্টারপ্রাইজ শুক রিসার্চকে কিনে নেওয়ার পর কোম্পানিটির ই-মেইল পর্যালোচনা করা হলে এই অর্থপ্রদানের বিষয়টি সামনে আসে। ফার্মটির নতুন ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ লেনদেনটি শনাক্ত করে বিষয়টি নজরে আনে।
৫৮ বছর বয়সী লেন টাকা গ্রহণের কথা স্বীকার করেছেন। তিনি নিউ ইয়র্ক টাইমসকে বরখাস্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। শুক রিসার্চও এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
লেন বলেন, আমি একটি ভুল করেছি এবং এর দায়ভার আমি নিচ্ছি। আমার উপহারটির কথা প্রকাশ করা উচিত ছিল। কিন্তু সেটি না করাটা হতবুদ্ধিতার পরিচয় ছিল। এজন্য আমি গভীরভাবে অনুতপ্ত।
সূত্র : নিউ ইয়র্ক টাইমস