ই-পেপার

ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়ার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে ব্যাখ্যা চাইল রাশিয়া

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদের

আপডেট: ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৪
১৬ ভিউ
ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়ার পরিকল্পনা, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে ব্যাখ্যা চাইল রাশিয়া

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদের ‘বিশাল ভান্ডার’ ইউক্রেনকে দেয়ার সম্ভাব্য পরিকল্পনার খবর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে রাশিয়া। শনিবার (১৫ আগস্ট) রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা এ তথ্য জানিয়েছেন। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে মস্কো টাইমস।

এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘গোয়েন্দাসূত্রে আমরা খবর পেয়েছি যে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ সরবরাহ পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে। এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদের প্রথমে তুরস্কের বন্দরে আসবে, তারপর সেখান থেকে চালান পাঠানো হবে ইউক্রেনে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই ধরনের হস্তান্তর ওয়াশিংটন ও আঙ্কারার সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের কাছে ওই অস্ত্র সরবরাহের সম্ভাব্য পরিকল্পনা সম্পর্কে ব্যাখ্যা চেয়েছে।’

গত সপ্তাহে তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইউক্রেনকে কয়েক দশক ধরে নিজেদের মজুতে থাকা কয়েক হাজার আর্টিলারি গোলা ও ক্লাস্টার মিউনিশন রকেট দেয়ার অনুমতি চেয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়। এসব অস্ত্র ১৯৮৭ সালের একটি মার্কিন লাইসেন্সের অধীনে তৈরি করা হয়েছিল।

যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক—দুই দেশই ২০০৮ সালের ক্লাস্টার মিউনিশন কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী নয়। ওই চুক্তিতে বিস্তৃত এলাকায় ছোট ছোট বিস্ফোরক ছড়িয়ে দেয় এমন অস্ত্রের ব্যবহার, বিক্রি ও রপ্তানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সতর্ক করেছে, এ ধরনের অস্ত্র থেকে ছড়িয়ে পড়া ছোট বিস্ফোরকগুলোর প্রায় ৪০ শতাংশ বিস্ফোরিত না হয়ে মাটিতে পড়ে থাকতে পারে। পরে এগুলো কার্যত ‘বিধ্বংসী ল্যান্ডমাইন’ হিসেবে কাজ করে এবং যুদ্ধ শেষ হওয়ার বহু বছর পরও বেসামরিক মানুষের জন্য প্রাণঘাতী ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ২০০৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত প্রতি বছর ক্লাস্টার মিউনিশন রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রেখেছিল। তবে ২০২৩ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ওই নীতি পাশ কাটিয়ে ইউক্রেনকে এসব অস্ত্র সরবরাহ করেন।