ই-পেপার

স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র

ইরান যুদ্ধে সহযোগিতা না করা এবং ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অস্বীকৃতি জানানোর জেরে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট: ০৮ জুলাই ২০২৬, ২১:৩১
৭ ভিউ
স্পেনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করল যুক্তরাষ্ট্র

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : ইরান যুদ্ধে সহযোগিতা না করা এবং ন্যাটোর প্রতিরক্ষা ব্যয় সংক্রান্ত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অস্বীকৃতি জানানোর জেরে স্পেনের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য সম্পর্ক স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


বুধবার (৮ জুলাই) তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টকে এই নির্দেশ দেন তিনি।


সম্মেলনে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটের সঙ্গে সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, ন্যাটোতে স্পেন একটি ভয়াবহ অংশীদার। তারা অংশগ্রহণ করে না, অর্থও দেয় না। আমি স্পেনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক রাখতে চাই না।


এ সময় বেসেন্টের দিকে ফিরে ট্রাম্প বললেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে কোনো ব্যবসা করতে চাই না, ঠিক আছে?.... অবিলম্বে উদ্যোগ নিন। এ বিষয়ে তাদের সঙ্গে কথাও বলবেন না। ওরা অযোগ্য।’


তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘ওরা খারাপ লোক... তারা আমাদের কাছ থেকে অনেক টাকা কামায়, তবে আমাদের দেখতে হবে তারা যেন আর সেই সুযোগ না পায়।’


প্রসঙ্গত, গত মার্চে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের ভূখণ্ডে থাকা সামরিক ঘাঁটি ব্যবহার এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দেয়নি স্পেন। এতে স্পেনের ওপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হন ট্রাম্প।


এছাড়াও ইউরোপীয় দেশগুলোর কাছে ন্যাটোর নতুন প্রতিরক্ষা লক্ষ্যমাত্রা (জিডিপির ৫ শতাংশ) বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন ট্রাম্প। কিন্তু স্পেন সরকার এই মাত্রা ২.১ শতাংশে সীমাবদ্ধ রাখে এবং মার্কিন এই চাপ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করে।


এদিকে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করার ট্রাম্পের ঘোষণাকে একটি ‘ব্যবসায়িক রুটিনের অংশ’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের কার্যালয়।


কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘আমাদের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অত্যন্ত চমৎকার সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক উপভোগ করছে। এই সম্পর্ক পরিবর্তনের কোনো ইচ্ছা আমাদের নেই’।


এতে আরও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, একক কোনো দেশের পক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে এভাবে সম্পর্ক ছিন্ন করা সম্ভব নয়। ফলে ট্রাম্পের তাৎক্ষণিক এই নির্দেশ কীভাবে কার্যকর করা হবে—সে বিষয়ে বিস্তারিত প্রক্রিয়া এখনও স্পষ্ট নয়।


সূত্র: রয়টার্স