ই-পেপার

পোশাক খাতে অসন্তোষ, জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ও

আপডেট: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ২০:৫৬
৪৯ ভিউ
পোশাক খাতে অসন্তোষ, জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত: ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক : ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনায় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রোববার সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়েছে।

বৈঠকে অন্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, বিএনপির শ্রমিক সংগঠন জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস।

জানা যায়, এর আগে দুপুর ১টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় পোশাকশিল্পে চলমান শ্রমিক অসন্তোষ ও সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে নিজের সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর বাতিল করেছেন শ্রমমন্ত্রী। এ ছাড়া আজ সকালে সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি পোশাক শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণে নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের ঘোষণা দেন।

এ সময় আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, সরকার আগেই সংবাদমাধ্যম এবং শ্রমিক ও মালিকপক্ষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনায় রোববার মজুরি বোর্ড গঠনের কথা জানিয়েছিল। এরপরও শ্রমিকদের সড়কে অবস্থানের কারণে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি আন্দোলনরত শ্রমিকদের কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, আজ সকাল থেকেই ঢাকা ও এর আশপাশের বিভিন্ন শিল্প এলাকায় ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে শ্রমিকরা বিক্ষোভ শুরু করেন। বিকেলের দিকে এই বিক্ষোভ সহিংসতায় রূপ নেয়। গাজীপুরে বিক্ষুব্ধ শ্রমিকরা একটি পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেন। সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।

এ ছাড়া সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভের একপর্যায়ে এই সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। সকাল ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরে সড়ক অবরোধের মধ্য দিয়ে শ্রমিকদের বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে মিরপুর-১১, ১২ ও প্রশিকা মোড়সহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার পোশাক কারখানার শ্রমিকরা সড়কে অবস্থান নেন।

এ সময় সব ধরনের যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ জলকামান, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালালে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়।